২৫ দেশের তরুণদের অংশগ্রহণে মিলনমেলা 

1 month ago 27

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ইউএনডিপির মুভার্স প্রোগ্রাম ও হিমু পরিবহনের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এশিয়া প্যাসিফিকের তরুণদের মিলনমেলা হয়েছে। 

শুক্রবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় অনলাইনে ‘এশিয়া প্যাসিফিক ইয়ুথ অ্যান্ড কালচারাল এক্সচেঞ্জ ২০২১ বাংলাদেশ’ শীর্ষক মিলনমেলা হয়। এতে এশিয়া প্যাসিফিকের ২৫টি দেশের তরুণরা অংশ নেয়।

আয়োজনের উদ্বোধনী অংশে অতিথি হিসেবে ছিলেন জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. লুবনা মরিয়ম। তিনি সবাইকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর শুভেচ্ছা জানান। তরুণদের ক্যান্সার বিষয়ে সচেতন করে তুলতে ক্যান্সার সচেতনতায় একটি সেশনও নিয়েছেন তিনি। এই কনফারেন্সে প্রপা জামান ও ফারহান ইশরাক সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তরুণদের ভবিষ্যতের জন্য উপযোগী করে তুলতে ক্যান্সার সচেতনতার সেশনের পর লিডারশিপ ট্রেনিং দেওয়া হয়। ডা. এলেক্স, তাহসিন রহমান ও প্রখর আগ্রাওয়াল লিডারশিপ ইন একশন সেশনটি নিয়েছেন। উল্লেখ্য, ইউএনডিপি বাংলাদেশের ইয়ুথ কমিউনিটি এঙ্গেজমেন্ট এসিসট্যান্ট ও মুভার্স প্রোগ্রাম বাংলাদেশের ভোকাল সাথী জমোদ্দার ও হিমু পরিবহনের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব মুরাদ কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন। হিমু পরিবহণ থেকে ইসতিয়াক আহমেদ আবীর, শামসুন নাহার সুমা ও রূপমও যুক্ত ছিলেন।

কনফারেন্সে তরুণদের ‘মিট দ্য গ্লোবাল লিডার’ অংশে পাঁচটি দেশের তরুণ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পরিচয় করার সুযোগ করে দেয়। ইয়ুথ লিডার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপি রিজিওনাল হাব ব্যাংকক থেকে কে লিন, বাংলাদেশ থেকে ডা. মহিউদ্দিন কাউসার, ইরান থেকে আনাহিতা, চীন থেকে নিঙ জ্যাঙ ও টিমুর লেস্তে থেকে জন। তারা তাদের কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন ও এর পাশাপাশি তাদের দেশের সংস্কৃতি নিয়েও কথা বলেছেন। এই সেশনের মডারেটর হিসেবে নাদিয়া মোমেন যুক্ত ছিলেন। 

উল্লেখ্য, হিমু পরিবহনের ফেসবুক পেজ থেকে সেশনটি লাইভে সম্প্রচার করা হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণদের অংশগ্রহণে অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে কনফারেন্সটি অনুষ্ঠিত হয়। কনফারেন্সের সমাপনী অংশে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির গ্রন্থাগারিক রেজিনা আখতার বক্তব্য রাখেন। ভবিষ্যতে এমন আরও আন্তর্জাতিক ইয়ুথ কনফারেন্স বাংলাদেশে আয়োজন হবে, সে আশা ব্যক্ত করে ও সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

Read Entire Article