হিলির পর চিরিরবন্দরে লোহার খনির সন্ধান 

1 month ago 9

হিলিতে লোহার খনি পাওয়ার পর দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে আরও একটি নতুন লোহার খনির অবস্থান নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)।

এরই মধ্যে খনির সম্ভাব্যতা ও যাচাই কার্যক্রম শুরু করেছেন জিএসবি’র কর্মকর্তারা। আগামী ৪ এপ্রিল খনির খনন কাজ শুরু হবে বেলে সকল প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর।

রোববার (২৮ মার্চ) সকালে বিষয়টি জানিয়েছেন চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আয়েশা সিদ্দিকা।
এই খনির অবস্থান দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ১০ নম্বর পুনট্টি ইউনিয়নের কেশবপুর মৌজায়।

জানা যায়, ২০০১ সালে জেলার পার্বতীপুর উপজেলার আমবাড়িতে একটি তামার খনি খনন করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে হিলির ইসবপুর গ্রামে লোহার খনির সন্ধান পাওয়া গেছে এবং জরিপের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

স্থানীয় রতন, মোস্তাফিজুর, মোফজ্জল রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘আমাদের এই কেশবপুর গ্রামে লোহার খনি আছে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন‌্য তারা সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এজন‌্য আমরা এলাকাবাসী গর্বিত এবং আনন্দিত। এখান থেকে লোহার উত্তোলন করা হলে আমাদের অনেক উপকার হবে। এখানকার অনেক যুবকের কর্মস্থল হবে এবং আমরা আশাবাদী যে, জমির ন্যায্যমূল্য আমরা পাবো।’

উপজেলার ১০ নম্বর পুনট্টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর-এ কামাল রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ পরিচালক আব্দুল আজিজ পাটোয়ারীর স্বাক্ষরিত একটি চিঠি জেলা প্রশাসকের নিকট থেকে পেয়েছি। সেখানে লিখা আছে আমার ইউনিয়নের কেশবপুর মৌজায় লোহার খনির সম্ভাবনা রয়েছে। এটি আমাদের জন্য একটি বড় পাওয়া। দেশের পাশাপাশি, আমার ইউনিয়নেরও অনেক উন্নয়ন হবে। বেকারত্ব দূর হবে। তবে আমি আশা করবো, আমার ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ যেন ক্ষতিতে না পড়ে এবং তাদের জমির ন্যায্যমূল্য যেন তারা পায়।’

ইউএনও আয়েশা সিদ্দিকা রাইজিংবিডিকে জানান, উপজেলার ১০ নম্বর পুনট্টি ইউনিয়নের কেশবপুর মৌজায় সম্ভাব্য লোহার খনির সন্ধান পেয়েছে ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তর। আগামী ৪ এপ্রিল থেকে জরিপের কাজ শুরু হবে। কূপ খননের প্রস্তুতিসহ জরিপের সব ধরনের সরঞ্জাম ওই স্থানে পৌঁছেছে।

Read Entire Article