স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি, ২০ ঘণ্টা পর উদ্ধার

1 week ago 9

বরগুনায় অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে অপহরণের ২০ ঘণ্টা পর তাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে ওই শিক্ষার্থীকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার (৩ মে) সন্ধ্যায় বাড়ির সামনে থেকে ওই শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়। আর মঙ্গলবার (৪ মে) সকালে অপহরণকারীরা ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।

অপহরণের শিকার ওই শিক্ষার্থীর নাম খাদিজা। তার বাড়ি বরগুনার সদর উপজেলায়। তার বাবা একজন প্রবাসী। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।

শিক্ষার্থীর মা জানান, সোমবার শেষ বিকেলে খাদিজা বাড়ির সামনে দাঁড়ানো ছিলেন। সন্ধ্যার পর ঘরে না ফেরায় মেয়েকে খুঁজতে শুরু করেন। না পেয়ে প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ নেন। রাতভর খুঁজেও কোনো সন্ধান না পাওয়ায় মঙ্গলবার সকালে বরগুনা সদর থানায় বিষয়টি জানানো হয়।

খাদিজার বড় ভাই রাজিব বলেন, সকাল ৯টার দিকে ০১৭২৪০৯৭... নম্বর থেকে আমার মোবাইলে ক্ষুদে বার্তায় জানানো হয়, বোন খাদিজাকে অপহরণ করা হয়েছে। তাকে মুক্ত করতে হলে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানালে খাদিজাকে মেরে ফেলা হবে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে বরগুনা সদর সার্কেলের এসপি মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। দুপুর আড়াইটার দিকে অভিযান চালিয়ে স্কুলছাত্রীর বাড়ির পাশের একটি খালি ঘর থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

সদর থানার ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম বলেন, মেয়েটি অসুস্থ। বর্তমানে সদর জেনারেল হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। সে সুস্থ হওয়ার পর অপহরণকারীদের ব্যাপারে কোনো তথ্য জানা যেতে পারে। তবে আপাতত আমরা তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি।

তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য ফারুক হোসেনের ছেলে সাদ্দাম হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ।

Read Entire Article