শাল্লায় হামলাকারীদের শাস্তি ভোগ করতে হবে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

1 month ago 18

 সংগৃহীত)

অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান (ছবি: সংগৃহীত)

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, গত ১৭ই মার্চ যে দুষ্কৃতকারীরা ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় উন্মাদনা তৈরি করে নোয়াগাঁও গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি-ঘরে  হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা দেশ ও মানবতার শত্রু, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ভোগ করতেই হবে।

বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার নোয়াগাঁওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি-ঘর পরিদর্শন এবং ভুক্তভোগী পরিবারের মাঝে অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে এক সংহতি সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শাল্লার ন্যাক্কারজনক ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং বেদনাদায়ক। তিনি সেদিনের হামলায় আক্রান্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের প্রতি গভীর সমবেদনা, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। যে বা যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এরমধ্যে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। অপরাধী যে বা যারাই হোক না কেন-তাদের কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, শাল্লায় হিন্দু সম্প্রদায়ের যেসব নাগরিকের বাড়ি-ঘরে হামলা হয়েছে, আর্থিক, শারীরিক ও মানসিকভাবে যারা নির্যাতিত হয়েছেন, তাদের সব ধরনের সাহায্য, সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। 

সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংসদের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মনোরঞ্জনশীল গোপাল, মুহিবুল হক মানিক এমপি, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপি, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের  ট্রাস্টি ও সাবেক সচিব অশোক মাধব রায়, ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজেন্দ্র দেব মণ্টু, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব ড. দিলীপ কুমার ঘোষ, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এনামুল কবীর ইমন এবং এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

Read Entire Article