লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপনির্বাচনে তদন্ত কমিটি

1 month ago 26

একাদশ জাতীয় সংসদের শূন্য ঘোষিত লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপনির্বাচনে নির্বাচন পূর্ব অনিয়ম প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে নির্বাচনি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মোছা. শাহীনুর আক্তার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের আওতায় লক্ষ্মীপুর সদর ও রায়পুর উপজেলা রয়েছে। এই দুটি উপজেলায় মোট ৯টি ইউনিয়ন পরিষদের সমন্বয়ে লক্ষ্মীপুর-২ আসন গঠন করা হয়েছে। দুটি উপজেলায় বিচার বিভাগীয় দুজনকে তদন্ত কমিটির দায়িত্ব দিয়েছে ইসি। 

লক্ষ্মীপুর জেলার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আক্তার হোসেন এবং লক্ষ্মীপুর জেলার সহকারী জজ মো. ইকবাল হোসাইনকে তদন্ত কমিটির দায়িত্ব দিয়েছে ইসি।

উল্লেখ্য, ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের লক্ষ্মীপুর-২ আসনে উপনির্বাচন হবে আগামী ১১ এপ্রিল।  এ আসনের উপনির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে। উপনির্বাচন উপলক্ষে লক্ষ্মীপুর-২ আসনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ তারিখ ১৮ মার্চ, বাছাই ১৯ মার্চ এবং প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৪ মার্চ।

প্রসঙ্গত, অর্থ ও মানবপাচারের মামলায় গত ২৮ জানুয়ারি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয় কুয়েতের আদালত।  পাশাপাশি তাকে ১৯ লাখ কুয়েতি রিয়াল বা ৫৩ কোটি টাকা জরিমানাও করা হয়।  গত বছরের ৬ জুন রাতে কুয়েতের বাসা থেকে আটক করা হয় তাকে।  আটকের সাড়ে সাত মাস আর বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর সাড়ে তিন মাসের মাথায় দণ্ডিত হন কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল।

নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে চার বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ায় লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের পদ বাতিল করা হয়।  ওই আসন শূন্য ঘোষণা করে গত ২২ ফেব্রুয়ারি গেজেট প্রকাশ করে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। তাতে বলা হয়, নৈতিক স্থলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে চার বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ায় সংবিধানের ৬৬ (২) (ঘ) অনুচ্ছেদ বিধান অনুযায়ী তিনি সংসদ সদস্য পদে থাকার যোগ্য নন। রায় ঘোষণার দিন গত ২৮ জানুয়ারি থেকে ওই আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।

Read Entire Article