রাবিতে দ্বিতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত আবেদনের জন্য নির্ধারিত জিপিএ

1 month ago 30

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রথমবর্ষের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার দ্বিতীয় পর্যায়ে চূড়ান্ত আবেদন শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ের চূড়ান্ত আবেদনের নির্ধারিত সময় শেষে নিজ ইউনিটে চূড়ান্ত তালিকায় পিছিয়ে থাকা ভর্তিচ্ছুদের জিপিএ নির্ধারণ করে দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদনের জন্য তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক বাবুল সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সংক্রান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা ২০২০-২১ এর জন্য প্রাথমিক আবেদনকারীর মধ্য হতে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে চূড়ান্ত আবেদনকারী নির্বাচন করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রতিটি ইউনিটের বিভিন্ন শাখায় (বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা) চূড়ান্ত আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক আবেদনকারী নির্বাচনে ব্যবহৃত জিপিএ (এইচএসসি/সমমান) নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে একই জিপিএ প্রাপ্ত একাধিক প্রার্থীর ক্ষেত্রে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করা হয়েছে । ‘বি’, ইউনিটের বাণিজ্য শাখার সকল প্রাথমিক আবেদনকারী চূড়ান্ত আবেদনের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

দ্বিতীয় পর্যায়ে চূড়ান্ত আবেদনকারীর ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন জিপিএ:

‘এ’ ইউনিটে চূড়ান্ত আবেদনের জন্য বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জিপিএ-৫, মানবিক বিভাগের ৪.৪২ এবং বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের ৪.৭৫ থাকবে হবে। ‘বি’ ইউনিটের আবেদনের জন্য বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জিপিএ-৪.৫৮, মানবিক বিভাগের ৪.০৮ এবং বাণিজ্য শাখায় প্রাথমিক আবেদনকারীর সবাই চূড়ান্ত আবেদন করতে পারবে। ‘সি’ ইউনিটে আবেদনের জন্য বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জিপিএ-৫, মানবিক বিভাগের জিপিএ-৫ এবং বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জিপিএ-৪.৫৮ থাকতে হবে।

বিজ্ঞপ্তি থেকে আরো জানা যায়, তিনটি পর্যায়ে চূড়ান্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। যেকোন পর্যায়ের জন্য নির্বাচিত প্রার্থীকে অবশ্যই সেই পর্যায়ের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে। পরবর্তীতে আবেদনের আর কোন সুযোগ থাকবে না।

দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদনের সময়সূচি:
দ্বিতীয় পর্যায়ে চূড়ান্ত আবেদন আজ শনিবার (২৭মার্চ) রাত ৮টা থেকে শুরু হয়েছে, যা চলবে ২৯মার্চ (সোমবার) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। প্রতি ইউনিটের আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০০টাকা (মোবাইল ফোন অপারেটর সার্ভিস চার্জসহ)।

এর আগে, প্রথম পর্যায়ের চুড়ান্ত আবেদন শেষ হয়েছে। তিন ইউনিটে প্রথম পর্যায়ের জন্য নির্ধারিত ১ লাখ ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে আবেদন করেছে ১ লাখ ১হাজার ২৮৭ জন শিক্ষার্থী। প্রত্যেক ইউনিটে ৪৫হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারবে। দ্বিতীয় ধাপেও নির্ধারিত সংখ্যা পূরণ না হলে তৃতীয় পর্যায়ে আবেদন গ্রহণ করা হবে।

Read Entire Article