রমজান-লকডাউনের প্রস্তুতি, বাড়ছে কেনাকাটা

4 weeks ago 14

করোনার রোধে ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে কঠোর লকডাউন।  যান চলাচলসহ সবকিছু থাকবে কঠোর নিয়ন্ত্রণে।  এর মধ্যে শুরু হচ্ছে মাহে রমজান।  রমজানকে মাথায় রেখে বাড়ছে কেনাকাটা। 

পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে সুপার শপ, ফলের দোকান, খেজুরের দোকানে বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়।  লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যে রমজান এসে যাওয়ায় কেনাকাটা স্বাভাবিকের চেয়ে বাড়ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টররা। 

তারা বলেন, লকডাউনে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে। স্বাভাবিক চলাচলও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে।  আবার এক সপ্তাহ শেষে লকডাউন আবার বাড়তেও পারে। সবমিলিয়ে কেনাকাটা বাড়ছে।

বিভিন্ন ফলের দোকান, স্বপ্ন, অ্যাগোরা, ডিএসএসসহ বিভিন্ন সুপারশপে গিয়ে দেখা যায়, যেসব দ্রব্য পঁচনশীল নয় সেগুলো কিনছেন ক্রেতারা।  জানতে চাইলে ফাহমিদা আনোয়ার নামে একজন গৃহিনী বলেন, সামনে তো রমজান।  দু-একদিন পরই শুরু হচ্ছে। এর মধ্যে আবার লকডাউন দিয়ে দিয়েছে সরকার।  এ অবস্থায় বের হতে পারি কি না তার কোনো ঠিক নেই।  যে কারণে পণ্যসামগ্রী কিনতেছি।

জয়নুদ্দীন নামের একজন কর্মজীবী বলেন, নরমালি রমজান উপলক্ষে আগেই কিছু কেনাকাটা করে রাখতে হয়। তবে এবারের বিষয়টি একটু ভিন্ন।  সামনে লকডাউন এক সপ্তাহের জন্য। আবার বাড়ে কি না সেটিও নিশ্চিত না।  এছাড়া অফিস তো আছেই। সবমিলিয়ে আগেই কেনাকাটা করেতেছি।

ফল ব্যবসায়ী ফোরকান আলী বলেন, রমজানের প্রস্তুতি সব সময় আমরা নিয়ে রাখি। এবার তো একটু ভিন্ন পরিস্থিতি।  বিক্রি হচ্ছে ভালোই।  তবে খেজুর বেশি বিক্রি হচ্ছে।  বুঝতেছি না দু-একদিন পর লকডাউন চলে আসলে বেচাবিক্রির কি অবস্থা হয়।

রবিন নামের আরেকজন ব্যবসায়ী বলেন, রমজানের পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে ফলমূল, শুকনা দ্রব্য মানুষ আগেই কিনে রাখি।  

জানতে চাইলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুম আরেফিন বলেন, আমরা বরাবরের মতোই সব বিষয়ে সতর্ক আছি। যখনই কোনো অভিযোগ আসে সাথে সাথে তা নিয়ে কাজ করছি এবং এটি চলমান আছে। ভোক্তারা যাতে কোনোভাবেই বঞ্চিত না হয় সে বিষয়ে আমাদের সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে।

Read Entire Article