ধর্ষণের জন্য যেভাবে ছাত্রীকে ফাঁদে ফেলেন ৬৪ বছরের বৃদ্ধ

2 months ago 46

মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগের প্রায় পাঁচ মাস পর ৬৪ বছরের বৃদ্ধ দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পিবিআই। ছাত্রীকে ধর্ষণের জন্য কীভাবে তিনি ফাঁদ পেতেছিলেন তা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। 

জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পিবিআই জানায়, ধোবাউড়ায় কলসিন্দুরে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকেন ভুক্তভোগী ছাত্রী। তিনি স্থানীয় একটি মাদরাসায় লেখাপড়া করেন। সংসারে অভাবের জন্য মাঝে মধ্যে কলসিন্দুর বাজারে রেস্টুরেন্টে থালা-বাসন ধোয়ার কাজ করতেন। একই বাজারে অভিযুক্ত দেলোয়ার ভাঙারির ব্যবসা করেন।

প্রায়ই দেলোয়ার ভুক্তভোগী ছাত্রীকে আর্থিক সহায়তা করেছেন। অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে ২০২০ সালের ২৬ অক্টোবর তার ভাঙারির দোকানে ডেকে নিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। মূলত আর্থিক সহায়তা দিয়ে ধর্ষণের জন্য বৃদ্ধ দেলোয়ার ফাঁদ পাতেন। তবে ঘটনা জানাজানি হলে পরদিন ২৭ অক্টোবর ধোবাউড়া থানায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেন।

ময়মনসিংহের পিবিআই পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, ২১ মার্চ (রোববার) রাত ১২টায় ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পিবিআই। ২৩ মার্চ (মঙ্গলবার) ওই অভিযুক্ত বৃদ্ধকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র বলছে, বৃদ্ধ দেলোয়ার হোসেনের বাড়ি টাঙ্গাইল সদরের চর কাগমারা গ্রামে। বিয়ের পর তিনি ধোবাউড়ার রাণীপুর এলাকায় ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতেন।

Read Entire Article