ঢাবির ‘ক’ ইউনিট: যা কিছু জানা জরুরি

2 weeks ago 10

‘ক’ ইউনিটে আসন রয়েছে ১,৮১০টি। 

‘ক’ ইউনিটে আসন রয়েছে ১,৮১০টি। 

এসএসসি আর এইচএসসিতে বিজ্ঞানে বিভাগের শিক্ষার্থীদের পছন্দের শীর্ষে থাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিট। এ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা দিবে ১০টি অনুষদের ৩২টি বিভাগের জন্য লড়াই করবে ভর্তিচ্ছুরা। তবে আসন রয়েছে ১,৮১০টি। 

ভর্তি পরীক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে যারা ঢাবির ‘ক’ ইউনিট সম্পর্কে আরো জানতে ইচ্ছুক তাদের জন্য আরো বিস্তারিত।  

‘ক’ ইউনিটে আবেদনের শেষ সময় ৩১ মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। আবেদনের লিংক: (admission.eis.du.ac.bd)। ভর্তি পরীক্ষা ২১ মে (শুক্রবার)। সকাল ১১টা থেকে শুরু হয়ে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা চলবে।

মানবন্টন: চলতি বছরে মানবন্টনে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। মোট ১০০ নম্বরে পরীক্ষা হবে। বহুনির্বাচনিতে ৬০ নম্বর ও লিখিত অংশে ৪০ নম্বর। ভর্তি পরীক্ষায় বহুনির্বাচনির জন্য ৪৫ মিনিট ও লিখিত জন্য ৪৫ মিনিট সময়। 

আগের মতোই ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নে ৬টি বিষয় পদার্থ বিজ্ঞান (আবশ্যিক), রসায়ন (আবশ্যিক), গণিত, জীববিজ্ঞান, বাংলা, ইংরেজি বিষয়গুলোর উপর প্রশ্ন রাখা হবে। পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন আবশ্যিক পূরণ করতে হবে। বাকি চারটি বিষয়ের মধ্যে পরীক্ষার্থী ইচ্ছা করলে শুধুমাত্র উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪র্থ বিষয়ের পরিবর্তে বাংলা অথবা ইংরেজি যেকোনো একটি বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য মোট বরাদ্দ থাকবে ২৫ নম্বর। যার মধ্যে এমসিকিউ অংশে থাকবে ১৫ নম্বর ও লিখিত থাকবে ১০ নম্বর। 

A-Level থেকে পড়াশোনা করা পরীক্ষার্থী পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়নসহ অন্য (গণিত/ জীববিজ্ঞান/ বাংলা/ ইংরেজি বিষয়ের মধ্যে) যেকোনো দুইটি বিষয়ে পরীক্ষা দিবে। 

বহুনির্বাচনিতে মান ও সময় বন্টন: এমসিকিউ অংশে মোট নম্বর ৬০ এবং সময় ৪৫ মিনিট। এ অংশে প্রতিটি বিষয়ের উপরে থাকবে মোট নম্বর ১৫ করে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা যাবে ০.২৫ নম্বর, তা বিষয়ভিত্তিকভাবে সমন্বয় করা হবে। 

লিখিত’র মান ও সময় বন্টন: লিখিত অংশে মোট নম্বর থাকবে ৪০, যার জন্য সময় বরাদ্দ থাকবে ৪৫ মিনিট। প্রতিটি বিষয়ে নম্বর থাকবে ১০ করে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ২ থেকে ৫ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। 

কত পেলে পরীক্ষায় পাস: ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের মধ্যে বহুনির্বাচনি এবং লিখিত অংশ মিলে মোট পাস নম্বর ৪০। যারা ৪০ এর কম নম্বর পাবে তাদেরকে ভর্তির জন্য বিবেচনা করা হবে না। এক্ষেত্রে ৪টি বিষয়ের এমসিকিউ অংশ মিলে মোট ২৪ নম্বর পেলে পাস হবে। আর ৪ বিষয় মিলে লিখিত অংশে পেতে হবে ১২ নম্বর। তবে এমসিকিউ পরীক্ষায় ২৪ নম্বর পেলেই কেবল লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রের মূল্যায়নের জন্য বিবেচিত হবে। এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে থেকে ‘ক’ ইউনিট এর মোট আসনের কমপক্ষে ৫ গুন লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে। 

মেধা তালিকা তৈরি হবে যেভাবে: মাধ্যমিক বা সমমান ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষার রেজাল্টের উপর ২০ নম্বরসহ ১২০ নম্বরে মূল্যায়ন করা হবে পরীক্ষার্থীদের। শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ’কে ২ দিয়ে এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ’কে ২ দিয়ে গুণ করে এই দুইটি থেকে প্রাপ্ত নম্বরের যোগফলের (প্রাপ্ত জিপিএ×২) সাথে ভর্তি পরীক্ষায় ১০০- তে প্রাপ্ত নম্বর যোগ করে পরীক্ষার্থীর মেধা তালিকা তৈরি করা হবে। 

মেধাস্কোরের ভিত্তিতে নির্ণীত মেধাক্রম অনুযায়ী উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মেধা তালিকা ও ফলাফল ভর্তি পরীক্ষার পর ৪ (চার) সপ্তাহের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ওয়েব সাইটেও admission.eis.du.ac.bd পাওয়া যাবে। এছাড়া এসএমএস এর মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবে।

View Source