কমলাপুর স্টেশনে সুনসান নীরবতা

1 week ago 7

সুনসান নীরবতা। নেই যাত্রীর ভিড়, গাদাগাদি, ঠেলাঠেলি। বলছি কমলাপুর স্টেশনের কথা। সোমবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিন গিয়ে এমন দৃশ্যই দেখা গেছে।  প্ল্যাটফর্মজুড়ে ঠাই দাঁড়িয়ে আছে বগি-ইঞ্জিনগুলো।

কমলাপুর স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, কোথাও নেই যাত্রীদের কোলাহল।  টিকিট কাটার লাইন নেই।  ট্রেন ছেড়ে দেবে দ্রুত উঠতে হবে- নেই এমন চিরচেনা দৃশ্য।  স্টেশনে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন না কেউ।  সবগুলো প্ল্যাটফর্মে ট্রেনগুলো দাঁড়িয়ে ছিল।  তবে স্টেশনের সার্বিক নিরাপত্তায় তৎপর ছিলেন জিআরপি থানা পুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।

স্টেশন ম্যানেজার মো. মাসুদ রাইজিংবিডিকে বলেন, সরকার ঘোষিত এক সপ্তার লকডাউনের কারণে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে।  পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত যা বলবৎ থাকবে।

স্টেশন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপে জানা গেছে, কমলাপুর স্টেশন থেকে প্রতিদিন আন্তঃনগর, লোকাল মিলে প্রায় ৬০টি ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছুটে যায়। পুরুষ, নারী, শিশু, আবাল-বৃদ্ধ-বণিতার পদচারণায় স্টেশনে মানুষের সব সময় গিজগিজ করতো। তবে লকডাউনের কারণে কমলাপুরের মতো প্রতিটি স্টেশনে সারিবদ্ধ ভাবে বগি এবং ইঞ্জিনগুলো রাখা হয়েছে। তবে কেউ জন্য কোনো ধরনের সুযোগ নিতে না পারে সেজন্য জিআরপি থানা পুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ারিং শাখা, মাল বুকিং, শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তা এবং রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ট্রেন চলাচল না করলেও সার্বক্ষণিক দায়িত্ব আছেন। তারা সোমবার সকাল থেকেই প্রশাসনিক সব ধরনের কর্মকাণ্ড করছেন।

পাশাপাশি কেউ যেন স্টেশনের ভেতর ঢুকতে না পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন।

জিআরপি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাকিবুল ইসলাম বলেন, লকডাউন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।  নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভেতরে পুলিশের ক্যাম্প বসানোসহ টহল জোরদার করা হয়েছে।

View Source