অচেনা টুটুলের গতিতে বোলিংয়েও খুলনার দাপট

3 weeks ago 15

বঙ্গবন্ধু জাতীয় ক্রিকেট লিগের খুলনা ভেন্যুতে বল হাতে উত্তাপ ছড়ালেন অচেনা এক পেসার। মাসুম খান টুটুলের গতিতে রীতিমত এলোমেলো সিলেট বিভাগ। 
ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও দাপট ধরে রেখেছে স্বাগতিক খুলনা বিভাগ। শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের খেলার শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩০ রান সংগ্রহ করেছে সিলেট। খুলনা প্রথম ইনিংসে করে ৩৭৫ রান। এখনও ২৪৯ রানে পিছিয়ে ফলো অনের শঙ্কায় অতিথিরা।

মধ্যাহ্ন বিরতির আগে ব্যাটিংয়ে নামে সিলেট বিভাগ। শুরুতেই তাদেরকে ধাক্কা দেন টুটুল। ওপেনার তৌফিক খানকে উইকেট রক্ষক নুরুল হাসান সোহানের ক্যাচে পরিনত করেন। আরেক ওপেনার ইমতিয়াজ হোসেন এক প্রান্ত আগলে রাখলেও অন্য প্রান্তে টুটুল ও মিনহাজ নিয়মিত বিরতিতে খুলনাকে সাফল্য এনে দেন। ইমতিয়াজ হোসেন ৩৭ রান করে ফিরে যাওয়ার পর বড় বিপর্যয়ে পড়ে সিলেট বিভাগ। এক পর্যায়ে ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুকতে থাকে তারা। শতরানের রানের আগেই অল আউট হওয়ার শঙ্কাও জাগে।

দলকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচিয়ে দিনের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন এনামুল হক জুনিয়র। ৮০ বল খেলে ৩০ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। যা দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ। অবশ্য সিলেটের ফলো অনের শঙ্কা শেষ হয়ে যায়নি। ফলো অন এড়াতে এখনও ১০০ রান করতে হবে তাদের। সিলেটের হয়ে অন্যদের মধ্যে জাকির আলী অনিক ১৮, অমিত হাসান ১৪ রান করেন।

খুলনার হয়ে দিনের সেরা বোলার টুটুল। ১৪ ওভারে ৩২ রান খরচে নেন ৪ উইকেট। ২টি করে উইকেট নেন দুই স্পিনার অভিষিক্ত মিনহাজ খান ও মঈনুল ইসলাম সোহেল।

এর আগে খুলনার প্রথম ইনিংস থামে ৩৭৫ রানে।  মধ্যহ্ন বিরতির আগে খুলনা বিভাগ অল আউট হয়। সোমবার ৩ উইকেটে আজ আরও ৬৭ রান যোগ করে খুলনা। এদিন খুলনার হয়ে ব্যাট হাতে লড়েছেন নাহিদুল ইসলাম। তবে ইমরুল বা তুষার ইমরানের মতো তারও আক্ষেপ হতে পারে। ২ রানের জন্য হাফ সেঞ্চুরি পাননি তিনি। প্রথম দিন ১ রানের জন্য তুষার ইমরান আর ১০ রানের জন্য ইমরুল কায়েস সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়েছিলেন।

অর্ধশত রান থেকে মাত্র ২ রান দূরে থেকে এবাদত হোসেনের বলে আবু জায়েদের হাতে ক্যাচ তুলে দেন নাহিদুল। ৭৮ বলে ৫টি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কায় ৮ রান করেন তিনি। এরপর আব্দুল হালিমকে ফিরিয়ে খুলনার ইনিংসের সমাপ্তি টানেন সিলেটের অধিনায়ক অলক কপালি। হালিমের ব্যাটে যোগ হয় ২৩ রান। সিলেটের হয়ে দুই পেসার আবু জায়েদ রাহী ও এবাদত হোসেন নেন ৩টি করে উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন খালেদ আহমেদ, অলক কপালি ও এনামুল হক জুনিয়র।

Read Entire Article